About

twc-1-230x160উত্তর বঙ্গের বগুড়া-নাটোর হাইওয়ে রোডের উত্তর পাশে আধুনিক সিংড়া পৌরসভা ভবনের কোলঘেষে অবিস্থিত কারিগরি মহিলা মহাবিদ্যালয় কলেজ। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে কারিগরি শিক্ষা বিস্তারে অগ্রনী ভূমিকা পালনের পাশাপাশি উন্নত জাতি ও সমৃদ্ধশালী দেশ গঠনে জন্য নিবিড় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
এই বিদ্যাপিঠ থেকে কৃতিত্বের সহিত পাশ করা ছাত্রীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে আজ জাতী গঠনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করছে। পাশাপাশি তারা আজ দেশ-বিদেশে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত। লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রায়োগিক ও বাস্তবধর্মী শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের মানষিক ও শারীরিক বিকাশ গঠনেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
শ্রেণী কক্ষের পড়াশুনার পাশাপাশি আত্মপ্রত্যয়ী ও সামাজিকতা চর্চার সুতিকাগার হিসাবে এই শিক্ষাঙ্গনের যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তথ্য প্রযক্তির জ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়ে দেশের মানব সম্পদ উন্নয়ন ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
চরম দরিদ্র ও নানা প্রতিকুলতা কাটিয়ে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নত হয়েছে। ব্যপক সীমাবদ্ধতার মধ্যে থাকলেও তা নিয়েও দক্ষ্ মানব সম্পদ গঠনে একনিষ্ঠে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের কারিগরি শিক্ষা প্রসারে নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহন ও তার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন থাকায় অত্র কারিগরি কলেজ বর্তমানে আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিষ্ঠান হিসাবে স্বয়ংসম্পূর্ণতা লাভ করতে যাচ্ছে, যা চলনবিলখ্যাত সিংড়া থানায় কারিগরি শিক্ষা প্রসারে মাইল ফলক হয়ে দাড়াঁবে।
বর্তমানে এই বিদ্যাপিঠে এস,এস,সি (ভোকেশনাল),এইচ,এস,সি (বিএম), এইচ,এস,সি (মানবিক,বাণিজ্য)শিক্ষা কার্যক্রম সফলতার সহিত অগ্রগামী হয়েছে। বর্তমানে এই কলেজে প্রায় ৩০০ ছাত্রী অধ্যায়নরত অবস্থায় আছে।
নতুন আঙ্গিকে নতুনভাবে কলেজকে উপস্থাপন করার জন্য সব সময় চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় এবং সার্বিক সহযোগীতার জন্য গর্ভনিং বডির সকল সদস্য, অধ্যক্ষ, সহকারী অধ্যাপক, প্রভাষক,শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দ সদাই নিবেদিত প্রাণ।
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ করার লক্ষে ও আমাদের সিংড়ার সন্তান তরুণ যুবনেতা-জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর অনুপ্রেরনা ও সহযোগিতায় এই প্রতিষ্ঠান মানব উন্নয়ন/সুশিক্ষায় আত্ম্যনির্ভরশীল হওয়ার লক্ষে কাজ করবে তথা আজকের মেয়েদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা যোগাবে।
পরিশেষে এ কলেজ- সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক তথা এ অঞ্চলের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অহংকারের প্রতীক। আমাদের সকলের অবদানে এ প্রতিষ্ঠান আরও গৌরবমণ্ডিত হবে এবং এর ঐতিহ্যে সংযোজিত হবে নতুন নতুন উপাদান- এটিই সকলের প্রত্যাশা।